শুক্রবার, জানুয়ারি ২২, ২০২১
Home বিনোদন কেমন আছে দিলদারের পরিবার?

কেমন আছে দিলদারের পরিবার?

যোগাযোগ ডেস্কঃ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী কৌতুক অীভনেতা দিলদার। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই সবাইকে ছেড়ে চলে যান তিনি। দিলদারহীন ১৬ বছর পার করছে সিনেমাঙ্গন।  তার চলে যাওয়ার পর থেকে ঢাকাই ছবি থেকে যেনো প্রাণ হারিয়েছে কমেডি। দিলদারের উত্তরসূরী হিসেবে কাউকে  চোখে পড়েনি এ অঙ্গনে। 

দিলদারকে এখনও মিস করেন বাংলা ছবির দর্শক। তার অভিনীত চলচ্চিত্র এখনও প্রচার হয বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে। তার মতো কেউ আর নেই বলে আফসোসে বুক বাধে দর্শকরা।

তবে দিলদার চলে গেলেও তার জনপ্রিয়তা কমেনি একটুও। দিলদার এখনও বাংলা ছবির কমেডি কিং হিসেবেই দর্শকদের হৃদয়ে রয়েছেন। দিলদার না থাকলেও এখনও আছে তার পরিচার। ৫৮ বছর বয়সে চলে গেলেও রেখে গেছেন  স্ত্রীর রোকেয়া বেগম ও দুই কন্যা সন্তান মাসুমা আক্তার ও জিনিয়া আফরোজ।

দিলদারের পরিবার কেমন আছেন? প্রিয় অভিনেতার চলে যাওয়ার দিনে সে খোঁজই নেয়া হয়। দিলদার যখন পরপারে পারি দেন তখন তার বড় ময়ের বযস ২৫ বছর। এখন তিনি বাচ্চার মা। পেশায় দাঁতের ডাক্তার। তার ছেলে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ে পড়ছে আর মেয়ে পড়ছে ক্লাস সেভেনে।

আর ছোট মেয়ে জিনিয়ার একছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার স্বামী মারা গেছেন। তিনি নিজেই চাকরি করে সংসার চালান। জিনিয়া আগে টেলিকমিনিকেশনে চাকরি করতেন। সেখানে থেকে চলে আসেন ব্রাক ব্যাংকে। পাঁচবছর চাকরির পর সেটিও ছেড়ে দেন। শারীরিক অসুস্থতা ও অতিরিক্ত কাজের প্রেসারে ওই চাকরিটি ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। এখন কোন চাকরি করছেন না।

দিলদার দিল দরিয়া ছিলেন বলে মন্তব্য তার দুই মেয়ের। চলচ্চিত্রের মানুষের যে কোন বিপদ আপদে সবার পাশে দাঁড়াতেন তিনি। তাই চলচ্চিত্র থেকে প্রাপ্ত অর্থ চলচ্চিত্রেই তার ব্যয় হয়ে যেতো বেশি।

বাবা জিবিত অবস্থায়  আমার মা একটা বুদ্ধির কাজ করেছিলেন যার ফল আমরা এখন ভোগ করছি। বাবা যা আয় করতেন ওখান থেকে টাকা জমিয়ে সারুলিয়া (ডেমরা) তে একটা পাঁচতলা বাড়ি করেছেন। ওই বাড়িটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৯৪ সালে। এ খন চারতলা পর্যন্ত ভাড়া দেয়া এবং পাঁচ তলায় আমার মা মাঝেমধ্যে থাকেন। এছাড়া তিনি চাঁদপুর এবং ঢাকায় আমাদের দু-বোনের কাছেও থাকেন। আল্লাহর রহমতে আম্মার শরীর ভালো আছে।’ জানান দিলদারের দুই মেযে।

পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে তিনি কাজ করেছেন দিলদার। অথচ এখন তার খোঁজ খবর নেয়না চলচ্চিত্রের কোন মানুষ। জন্মদিন ও মৃত্যু দিবস কোন প্রকার স্মরণ ছাড়াই চলে যায়। দিলদারকন্যা জিনিয়া জানান, ‘আব্বা মারা যাওয়ার কয়েক বছর পরেও অনেকেই খোঁজ খবর রাখতেন। কিন্তু এখন মিডিয়ার কারও সঙ্গে যোগাযোগ নেই আমাদের। বিশেষ করে কৌতুক অভিনেতা আনিস আঙ্কেল বাবার অনেক কাছের বন্ধু ছিলেন। আমাদের সাথে তার পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। তিনি খোঁজ রাখতেন।

প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নাও তাদের পরিবারের খোঁজ খবর রাখতেন বলে জানান দিলদারকন্যারা।  বিএনপি’র জিসাস (জিয়া সাংস্কৃতিক সংসদ)’র সভাপতি ছিলেন দিলদার। মারা যাওয়ার পর প্রথম তিন-চার বছর সংগঠনটি দিলদারের মৃতুবার্ষিকী পালন করতো। আজকাল সেখানেও কেউ স্মরণ করছেনা দিলদারকে।

সর্বশেষ

ওয়ানডে সিরিজ জয় করলো বাংলাদেশ

ম্যাচ শুরুতে বল হাতে জাদু দেখান মেহেদী হাসান মিরাজ। পরে ব্যাট হাতে তামিম ইকবাল হাফ সেঞ্চুরি করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন। ম্যাচের শেষটা...

হাফ সেঞ্চুরি করেই ফিরলেন তামিম

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৪৮ রানে অলআউট হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমে ভালোর ইঙ্গিত দিয়ে লিটন দাস ও নাজমুল শান্ত আউট হয়েছেন। এরপর ফিফটি করে...

করোনা টিকা নেওয়ার আগে-পরে করনীয়

দেশব্যাপী কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেয়া শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। মানুষের মনে যাতে এই টিকার বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিয়ে যাতে কোন বিভ্রান্তি তৈরি না হয় সেজন্য স্বাস্থ্য...

করোনায় দেশে মৃত্যু প্রায় ৮ হাজারের কাছাকাছি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৮১ জনে। এছাড়া...