ব্রেকিং

x

কেমন হবে পূজার সাজ

বৃহস্পতিবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৯


কেমন হবে পূজার সাজ

দেখতে দেখতে চলে এলো দুর্গা পূজা। এই সময়টাই সবচেয়ে বেশি ঘোরাঘুরির আর বেশি বেশি নিমন্ত্রণের। এমন আনন্দের দিনে সাজটাও থাকা চাই একদম নিখুঁত। জেনে নিন কেমন হবে পূজার সাজ-

শারদীয় দুর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে দশমী টানা পাঁচ দিন। সাজার সুযোগটা তাই বেশি—আধুনিক, ঐতিহ্যবাহী, ক্ল্যাসিকাল—যেকোনোভাবে নিজেকে সাজিয়ে তোলা যাবে। তবে সাজতে হবে নিজের স্বাচ্ছন্দ্যবোধ, রুচি ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলিয়ে। একেক দিন একেকটি রংয়ে সাজতে পারেন। পাঁচ দিন সাজবেন ভিন্ন ধরনের সাজ। তবে এর মধ্যে আবার রাত-দিনের তফাতটাও মনে রাখতে হবে।


ষষ্ঠী ও সপ্তমীতে একটু হালকা সাজ মানানসই। অষ্টমী ও নবমীর রাতের সাজটা জমকালো হয় সাধারণত। এ দুটো দিন একটু ভারী কাজ করা শাড়ি পরা যেতে পারে। চাইলে লম্বা কাটের কামিজও পরতে পারেন। টাইটস কিংবা পালাজ্জো দিয়ে মানাবে ভালো। কিশোরীরা পাঞ্জাবি, লম্বা ধাঁচের কুর্তি, ঘের দেওয়া কামিজ ও স্কার্ট বেছে নিতে পারে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় পোশাক-আশাক, সাজসজ্জার ধরণ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের সময়ে ঠাকুরবাড়িতে যে পূজা হতো, তাতে সাজসজ্জার ধরন ছিল যথেষ্ট আধুনিক। আর তাই আজো পূজার সাজ-পোশাকে ঠাকুরবাড়ির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। লাল, সোনালি, কোড়া রঙের জামদানি শাড়ির এক প্যাঁচে বা খোলা আঁচলের স্টাইলে শাড়ি পরেও অনায়াসে আনা যেতে পারে ঠাকুরবাড়ির সাজসজ্জার ছোঁয়া। তবে ব্লাউজগুলো একটু লম্বা হাত দিয়ে বানিয়ে তাতে লেইস ব্যবহার করলে আসবে রাবীন্দ্রিক ঢং।

উৎসবে সব ধরণের রঙের পোশাক পরলেই মানিয়ে যায়। তবে সকালে হালকা রঙ আর রাতে গাঢ় রঙের পোশাক পরা ভালো। পূজার জন্য লাল-সাদা একটি ট্রাডিশনাল রঙ। এর বাইরে এখন সব ধরনের রঙই ব্যবহার হচ্ছে। যেহেতু এখন শরৎকাল তাই নীল রঙটা থাকতেই পারে। এর পাশপাশি মেরুন, সবুজ. ব্রাউন রঙও বেছে নেয়া যায়।

এতো গেল পোশাকের কথা। এবার সাজের বিষয়ে আসি। পূজায় দিনের সাজটা হালকা হলেই ভালো। এ সময় ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে হালকা ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। এর ওপরে আলতো করে পাউডার এবং সামান্য বেজ কম্প্যাক্ট বুলিয়ে নিন। চোখের পুরোটা পাতায় আইশ্যাডো লাগান। চোখের ওপরের পাতায় আইলাইনার দিয়ে লাইন টেনে নিন। দুই গালে ব্লাসন বুলিয়ে দিন। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপস্টিক বা লিপস্টিকের বদলে লাগান লিপগ্লস।

রাতে বাইরে যাওয়ার সময় জমকালো সাজেই ভালো লাগবে। বেছে নিতে পারেন চওড়া পাড়ের কাতান শাড়ি। সঙ্গে সোনা বা রুপার গয়না ও হাতভর্তি চুড়ি। রাতে সাজার আগে মুখ ক্লিন করে টোনিং করে নিন। ওয়াটার বেজড্ ফাউন্ডেশন ভালোভাবে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এর ওপরে কম্প্যাক্ট পাউডার দিন। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে চোখে গাঢ় রঙের শ্যাডো লাগান। চোখের নিচে কাজল দিন। চোখের ওপরের পাতায় আইলাইনার দিয়ে মোটা করে লাইন টেনে নিন। দুইবার করে মাশকারা লাগান। ঠোঁট এঁকে গাঢ় রঙের লিপস্টিক লাগিয়ে নিন। শাড়ি পরলে মানানসই টিপ লাগিয়ে নিতে পারেন।

পূজার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পোশাকের ধরনের সঙ্গে মিলিয়ে হওয়া চাই চুলের সাজ। অষ্টমীর অঞ্জলি দেয়ার সময় শাড়ির সঙ্গে মানাবে ঘাড়ের কাছে আলগা হাতখোঁপা। কিন্তু খোঁপায় যদি সাদা রঙের গাজরার মালা বা বেলি ফুলের মালা না থাকে, তাহলে পুরো সাজটাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

আবার নবমী ও দশমীর দিনে বা রাতের পার্টিতে গর্জিয়াস কাতান শাড়ি যদি পরেন, তাহলে চুলে হালকা কার্ল বা খোঁপাও করে নিতে পারেন। পূজা দেখার সময় অনেক হাঁটতে হয়, তাই সাজের সঙ্গে মিলিয়ে আরামদায়ক স্যান্ডেল পরুন। আর দশমী পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন সাজে হয়ে উঠুন অপরূপা।

বাংলাদেশ সময়: ৬:০৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৯

যোগাযোগ২৪.কম |


আসামির জবানবন্দিতে আবরার হত্যার বীভৎস বর্ণনা

Development by: webnewsdesign.com