ব্রেকিং

x

কোটি টাকার ঘোষণায় সাত লাখ টাকার পণ্য আমদানি

বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৪:৩৯ PM


কোটি টাকার ঘোষণায় সাত লাখ টাকার পণ্য আমদানি

এক কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেছেন সাত লাখ টাকার পণ্য আনার ঘোষণা দিয়ে এক আমদানিকারক চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। এই পণ্য সুযোগ বুঝে খালাসের চেষ্টাও করেছিল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি। তবে কাস্টমস কর্মকর্তাদের নজরদারিতে থাকায় সব প্রক্রিয়া শেষ করেও প্রায় ১০ মাস পণ্য খালাস নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। শেষ পর্যন্ত কাস্টমস কর্মকর্তারা কনটেইনার খুলে হাতেনাতে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির প্রমাণ পান।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বন্দর চত্বরে এই কনটেইনার খোলা হয়। আজ বুধবার দুপুরে কাস্টমস কর্মকর্তারা বলেন, নথিপত্র অনুযায়ী কনটেইনারে থাকার কথা সুইট কর্ণ ও কিডনি বিন। তবে কনটেইনার খুলে সুইট কর্ণ পাওয়া গেছে সামান্যই। বরং চকলেট, বিস্কুট, এনার্জি ড্রিংক ও সফট ড্রিংকসহ ১১ ধরনের পণ্য পাওয়া গেছে। এসব পণ্যের মেয়াদও পেরিয়ে গেছে। ঘোষণার বাইরে পণ্য এনে আমদানিকারক ৮০ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি দিয়েছেন।



সাত লাখ টাকার ঘোষণায় কোটি টাকার পণ্য আমদানি

সাত লাখ টাকার পণ্য আনার ঘোষণা দিয়ে এক আমদানিকারক চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এক কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেছেন। এই পণ্য সুযোগ বুঝে খালাসের চেষ্টাও করেছিল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি। তবে কাস্টমস কর্মকর্তাদের নজরদারিতে থাকায় সব প্রক্রিয়া শেষ করেও প্রায় ১০ মাস পণ্য খালাস নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। শেষ পর্যন্ত কাস্টমস কর্মকর্তারা কনটেইনার খুলে হাতেনাতে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির প্রমাণ পান।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বন্দর চত্বরে এই কনটেইনার খোলা হয়। আজ বুধবার দুপুরে কাস্টমস কর্মকর্তারা বলেন, নথিপত্র অনুযায়ী কনটেইনারে থাকার কথা সুইট কর্ণ ও কিডনি বিন। তবে কনটেইনার খুলে সুইট কর্ণ পাওয়া গেছে সামান্যই। বরং চকলেট, বিস্কুট, এনার্জি ড্রিংক ও সফট ড্রিংকসহ ১১ ধরনের পণ্য পাওয়া গেছে। এসব পণ্যের মেয়াদও পেরিয়ে গেছে। ঘোষণার বাইরে পণ্য এনে আমদানিকারক ৮০ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি দিয়েছেন।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর চীন থেকে এই পণ্য আমদানি করেছে গুলশানের স্টার অ্যালায়েন্স। সে সময় কাস্টমস হাউসে আমদানিকারক যে নথি জমা দেন, তাতে আট হাজার ডলারে ১৩ টন সুইট কর্ণ এবং প্রায় তিন টন কিডনি বিন আমদানির তথ্য জানানো হয়। গতকাল কনটেইনার খোলার পর চালানটিতে কিডনি বিন পাওয়া যায়নি। সুইট কর্ণ পাওয়া গেছে মাত্র পাঁচ কেজি। চালানটিতে ঘোষণার বাইরে কয়েকটি ব্রান্ডের ৪৭ হাজার ক্যান পাওয়া গেছে। এনার্জি ড্রিংকের ক্যান পাওয়া গেছে চার হাজারের বেশি। এ ছাড়া নানা ব্র্যান্ডের বিস্কুট ও চকলেটও রয়েছে চালানটিতে।

কাস্টমস-এর উপকমিশনার নুর উদ্দিন মিলন বলেন, সাত লাখ টাকার বদলে এক কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেছেন আমদানিকারক। বাড়তি টাকা ডলারে করে অবৈধভাবে পাচার হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে ধ্বংস করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ৪:৩৯ PM | বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯

যোগাযোগ২৪.কম |

Development by: webnewsdesign.com