রবিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২১
Home আন্তর্জাতিক কোন প্রকার পূর্ব শর্ত ছাড়াই ইরানের সাথে আলোচনায় বসতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

কোন প্রকার পূর্ব শর্ত ছাড়াই ইরানের সাথে আলোচনায় বসতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

যোগাযোগ ডেস্কঃ

নিজেরা পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়ে এবং ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেও যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করছে, চুক্তি লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে তেহরান অন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে তেহরান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেই নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে বলেও মন্তব্য করেছে দেশটি। তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ওয়াশিংটন-তেহরান আলোচনার দরজা এখনও খোলা আছে।

পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়া এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি পালনে ইউরোপীয় দেশগুলোর ব্যর্থতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে এ বছরের মে মাসে তেহরান চুক্তি থেকে আংশিক সরে আসার ঘোষণা দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সমঝোতা বাস্তবায়নের জন্য দুই মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। ৭ জুলাই সেই সময়সীমা শেষে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৫% শতাংশে উত্তীর্ণ করার ঘোষণা দেয় ইরান। ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে এই মাত্রা ৩.৬৭% শতাংশে সীমিত রাখার প্রতিশ্রুতি ছিল তেহরানের।

পারমাণবিক চুক্তির শর্ত থেকে আবারও ইরানের সরে আসার ঘোষণায় জরুরি বৈঠক করার জন্য আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর প্রতি অনুরোধ জানায় যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১০ জুলাই) সে বৈঠক ডাকা হয়। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বিস্তৃত করার কোনও যৌক্তিক কারণ নেই। একে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের স্পষ্ট ও বাজে এক প্রচেষ্টা ছাড়া অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি ঘোষিত পারমাণবিক পদক্ষেপ সরে আসতে এবং ভবিষ্যতের সমৃদ্ধকরণ পরিকল্পনা বাতিল করতে আমরা ইরানকে আহ্বান জানাচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করছে যে, কোনও ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই আমরা আলোচনার পথ খোলা রেখেছি। সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক করার সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনার জন্য ইরানকে প্রস্তাব দিচ্ছি।’

২০১৫ সালের জুনে ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানির স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দেয় তেহরান। পূর্বসূরি ওবামা আমলে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিকে ‘ক্ষয়িষ্ণু ও পচনশীল’ আখ্যা দিয়ে গত বছরের মে মাসে তা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০১৮ সালের নভেম্বরে তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল হয়। এদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো এ সমঝোতা বাস্তবায়নের কথা মুখে বললেও কার্যত তারা কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করে আসছে ইরান।

সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

সর্বশেষ

করোনা ভ্যাকসিনে যে কোন দেশের তুলনায় কানাডা বেশি সুরক্ষিত

কানাডার টরন্টোতে ৮৯ বছর বয়সী গিসেল ল্যাভস্কের ছবিগুলি তার কালো কার্ডিগানের আস্তিনে গড়াচ্ছে যা কানাডায় প্রথম ব্যক্তি হয়ে উঠেছে যে একটি করোনভাইরাস টিকা গ্রহণ...

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থকদের সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পদত্যাগ করলেন দেশটির স্বাস্থ্য ও মানব সেবা বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স আজার। মার্কিন আইনসভা ক্যাপিটল...

বিশ্বে করোনা আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৯ কোটি মানুষ

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কবলে বিপর্যস্ত সারাবিশ্ব, যেখানে আবারও ভয়ংকর হতে শুরু করছে এই ভাইরাস। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯ কোটি...

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ৪ লাখ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণহারে টিকা প্রয়োগ শুরু হলেও থামছে না তাণ্ডব। গত একদিনেও প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ভাইরাসটির শিকার হয়েছেন। নতুন করে প্রাণহানি ঘটেছে ৪...