শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২০
Home আন্তর্জাতিক দুবাইয়ে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ১৬৮ বাংলাদেশী শ্রমিক

দুবাইয়ে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ১৬৮ বাংলাদেশী শ্রমিক

- Advertisement -

যোগাযোগ ডেস্কঃ

দুবাইয়ের একটি কারখানার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাংলাদেশী শ্রমিকেরা।গত কয়েক মাস যাবত অর্থ ও খাদ্যাভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় অবৈধ হয়ে পড়েছেন এবং কোম্পানি তা নবায়নের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (শ্রম) ফকির মুহাম্মদ মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আটকা পড়া শ্রমিকদের মধ্যে ১৬৮ জন বাংলাদেশি। আমরা তাঁদের সাথে যোগাযোগ রাখছি।’

একজন শ্রমিক খালিজ টাইমসকে জানান, তাঁদের কাছে কোনো টাকা এবং খাবার নেই। ‘আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ এবং পাসপোর্ট এখনো নিয়োগকারীর কাছে। আমাদের কাগজ না থাকায় অন্য জায়গায় কাজ করতে পারছি না’

দাতব্য প্রতিষ্ঠান দার আল বের সোসাইটি এক ভারতীয় প্রবাসীর কাছ থেকে পরিস্থিতি জানতে পেরে বুধবার শ্রমিকদের আবাসস্থলে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এবং একটি চিকিৎসা শিবির স্থাপন করেছে।

মনোয়ার হোসেন জানান, এসব শ্রমিক একটি ‘খ্যাতনামা ভারতীয় নির্মাণ কোম্পানিতে’ নিয়োজিত ছিলেন। কোম্পানিটি সম্প্রতি দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় কিছু শ্রমিক ছয় বা আরো বেশি মাস ধরে বেতন পাননি। বেশির ভাগ শ্রমিকের বেতন ৭০০ থেকে দেড় হাজার দিরহামের (প্রায় ১৬ থেকে সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা) মধ্যে।

নাম প্রকাশ না করা নিয়োগকারী অতিদ্রুত বকেয়া পরিশোধের অঙ্গীকার করেছে বলে খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। গত বছর সেখান থেকে ২ হাজার ৪২৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা মোট রেমিটেন্সের ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ এসেছে।

মনোয়ার হোসেন বলেন, তাঁরা শ্রমিকদের আইনি সহায়তা ও খাদ্য দিয়েছেন। কিন্তু স্থানীয় আইনে এ সমস্যার সমাধান কিছুটা জটিল হবে। তিনি একটি বিকল্প ব্যবস্থারও কথা বলেন। যদি তারা দাবি ছেড়ে দেন তাহলে জামানতের অর্থ নিয়ে ফিরে যেতে পারবেন।’

কিন্তু বাংলাদেশি শ্রমিকরা তাকে জানিয়েছেন যে তারা আদালতে যাবেন। ‘এ প্রক্রিয়া প্রায় সাত মাস সময় নিতে পারে,’ উল্লেখ করে প্রথম সচিব বলেন, ‘মামলা করতে আগ্রহী যে কাউকে আমরা সহযোগিতা দেব এবং যারা ফিরে যেতে চান তাদের সাহায্য করব।’

মনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকরা যে সমস্যার মুখোমুখি তা বিরল নয়। ‘নিয়মিতভাবে অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায় এবং আমাদের শ্রমিকদের সাহায্যে যা করা যায় তা করছি।’

তবে পরিস্থিতি শ্রমিকদের জন্য নির্মম হয়ে উঠেছে। একজন সংবাদপত্রকে জানান যে তাদের খাবারের জন্য পথচারী ও পাশের দোকানের দয়ার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ‘খাবার ভিক্ষা চাওয়া খুব লজ্জার। আমরা সম্মানের সাথে কাজ করতে এখানে এসেছিলাম….ভিক্ষা করতে বা অবৈধ বাসিন্দা হতে নয়।’

সুত্র- এনটিভিবিডি.কম

সর্বশেষ

নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার

মালিক ও শ্রমিকপক্ষের আলোচনার পর নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকরা। ১১ দফা দাবিতে দেশব্যাপী পণ্যবাহী নৌযান ধর্মঘটের ডাক দেয় বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন...

চ্যানেল এস টেলিভিশনের মাধবদী প্রতিনিধি সুমন পালের পিতার পরলোক গমন

মাধবদী প্রেসক্লাবের সদস্য সুমন পালের পিতা সুবোধ পাল(৬৫) ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে আজ ২১ অক্টোবর বুধবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোক...

কাঁচাবাজারে সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না আলু

দেশের বাজারে আলুর দাম হঠাৎ বেড়ে যাবার প্রেক্ষিতে সরকার প্রতি কেজি আলুর পাইকারী মূল্য ৩০ টাকা ও খুচরা মূল্য ৩৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে।...

(এলপিএল) দল কিনলেন সালমান খানের ভাই সোহেল খান

আইপিএলের সঙ্গে বলিউডের সখ্যতা পুরনো। শাহরুখ খান ও জুহি চাওলার মালিকানায় রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মালিকানা রয়েছে প্রীতি জিন্তার হাতে। এছাড়া সম্প্রতি...