রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২০
Home অপরাধ ও আইন ধর্ষণ-এর পরে কোরআন শপথ করাতেন আলেমরূপী ধর্ষক

ধর্ষণ-এর পরে কোরআন শপথ করাতেন আলেমরূপী ধর্ষক

- Advertisement -

যোগাযোগ ডেস্কঃ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক মাদ্রাসার শিক্ষক আবাসিক কোমলমতি শিশুদের ধর্ষণ শেষে কোরআন শপথ করাতেন। ভয় দেখিয়ে বলতেন, কাউকে বললে আল্লাহ দোজখের আগুনে পোড়াবে। আর এ ভয়ে ধর্ষিত শিশুরা কাউকে বলতো না। 

শুক্রবার সকালে এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় এলাকাবাসীর হাতে আটক হন কেন্দুয়া মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক আবুল খায়ের বেলালী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ধর্ষককে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় ওই দিনই কেন্দুয়া থানায় দুটি মামলা হয়।

এদিকে নিজের ফেসবুকে ধর্ষণের ভয়াবহ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শাহজাহান মিয়া। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘কি লিখব আর কিভাবে লিখব, ভাষা পাচ্ছি না। তিনি (ধর্ষক) একজন দাওরায়ে হাদীস, (সিলেট বালুরচর কওমী মাদ্রাসা থেকে) মাওলানা, একজন বক্তা, একজন ইমাম, শুক্রবারে জুমার নামাজের খতিব। মাওলানা (!!!) আবুল খায়ের বেলালী। শুক্রবার তার বয়ান শোনার জন্য আধাঘণ্টা আগে মুসল্লীরা এসে অপেক্ষা করেন মসজিদে। কেন্দুয়ার আঠারবাড়ি এলাকায় মা হাওয়া (আ:) কওমী মহিলা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (মুহতামিম) তিনি, যে মাদ্রাসায় রয়েছে প্রায় ৩৫ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রী যাদের ১৫ জন আবাসিক। সেখানে তিনিও (ধর্ষক) আবাসিক। সময় সুযোগ বুঝে তিনি কলিংবেল চাপেন আর ওনার পছন্দমত একজন কোমলমতি ছাত্রীর ডাক পরে তার গা-হাত-পা টিপে দেবার জন্য। আর এক পর্যায়ে তিনি সেই অবুঝ শিশুদের উপর ঝাপিয়ে পরেন . . . . . এবং শেষে আবার কোরআন শরীফে হাত রেখে শপথ করান, কাউকে কিছু না বলার জন্য।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শাহজাহান মিয়া আরো লেখেন, ‘ভয়ে কোমলমতি ছাত্রীরা কাউকে কিছু বলতো না। কিন্তু আজ এক সাহসী বীরাঙ্গনা সেই ভয়ের সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়ী হয়, বলে দেয় তার বড় বোনসহ বাড়ির সবাইকে, সেই যন্ত্রণার মুহূর্তগুলোর কথা। স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তায় আটক হন সেই হুজুররূপী ধর্ষক। থানায় আটক থাকা অবস্থাতেই আরো একজন শিশু শ্রেণির ছাত্রীর অভিযোগ জমা পড়ে। দুইটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে তার নামে।

শাহজাহান মিয়া লেখেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাই, গত একবছরে আরো মোট ৬ জন ছাত্রীর সাথে তিনি অনুরূপ কুকর্ম করেছেন যাদের সবারই বয়স ৮ থেকে ১১ এর মধ্যে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কিছু আলামত জব্দ করি, সাথে সেই কলিংবেলটিও, যা আদালতে উপস্থাপন করা হবে। হুজুরকে রিমান্ডে আনা হবে।

উল্লেখ্য, শুধুমাত্র কেন্দুয়া উপজেলাতেই গত জুন মাস থেকে গতকাল ৫ জুলাই পর্যন্ত তিনটি গণধর্ষণসহ মোট ছয়টি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।

সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

সর্বশেষ

সুনামগঞ্জে দাম্পত্য জীবনে কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক অস্বচ্ছলতা ও দাম্পত্য জীবনে কলহের জেরে সামিয়া বেগম নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে পাষণ্ড স্বামী। আজ শনিবার ভোররাতে...

সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই দেশ থেকে চিরতরে দারিদ্র্য মুক্ত হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র বিমোচনে সরকারের পাশাপাশি দেশের বিত্তবানদের সাধারণ জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই দেশ থেকে চিরতরে দারিদ্র্য...

সৌদির মসজিদুল হারামের একটি গেটে গাড়িহামলার ঘটনা ঘটেছে

সৌদি আরবের মক্কায় মসজিদুল হারামের একটি গেটে গাড়িহামলার ঘটনা ঘটেছে। কয়েকটি ব্যারিকেড ভেঙে মসজিদুল হারামের ফাহাদ গেটে আঘাত করে একটি গাড়িটি। তবে এ ঘটনায়...

করোনার কারণে সাত মাস পর কাল থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে সুন্দরবন

করোনা মহামারির কারণে টানা সাত মাস বন্ধ থাকার পর কাল থেকে বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের দ্বার উন্মুক্ত হচ্ছে। তবে শর্ত সাপেক্ষে ১ নভেম্বর থেকে...