পর্তুগালের নাগরিকত্ব পাওয়ার ৫টি সহজ উপায়

শুক্রবার, ১৬ আগস্ট ২০১৯

পর্তুগালের নাগরিকত্ব পাওয়ার ৫টি সহজ উপায়

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে পর্তুগাল অন্যতম। ‘সাগর কন্যার দেশ’ মানে পর্তুগালের নাগরিক হতে পারলে পাবেন অনেক সুযোগ সুবিধা। যা আপনার জীবনকে করে তুলবে সহজ ও সুন্দর। ২০১৯ সালের Global Passport রেঙ্কিং অনুযায়ী ভিসা ছাড়াই ভ্রমন করা যাবে ১৬৬ দেশে। সে অনুযায়ী পর্তুগালের পাসপোর্ট এখন ৪ নম্বর তালিকায় অবস্থান করছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যরূপে যেমন সাবলীল পর্তুগাল তেমনি পর্তুগালকে ইউরোপে অভিবাসীদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়। যারা পর্তুগালের পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন এবং পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে চাইছেন তাদের জন্য রয়েছে ৫ টি উপায় যার মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে পারেন।

১) পর্তুগালে বৈধ অভিবাসী হওয়া

সবচেয়ে সহজ এবং ভালো উপায় হচ্ছে পর্তুগালের  বৈধ অভিবাসী হওয়া অর্থাৎ পর্তুগালে বৈধভাবে বসবাস করে পর্তুগালে নাগরিকত্ব পাওয়া। ইউরোপের অন্যান্য দেশে যেখানে অভিবাসীদের বিষয়ে কঠোর নীতি অনুসরণ করে, সেখানে পর্তুগাল বৈধ পন্থায় প্রবেশকারী অভিবাসীদের জন্য সহজতম শর্তে রেসিডেন্স প্রদান প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। আপনি যদি পর্তুগালে বৈধ ভাবে ৬ বছর বসবাস করেন তাহলে পাবেন পর্তুগালের নাগরিকত্ব। যে কেউ আবার ইচ্ছে করলে ৫ বছর পর ও পর্তুগালের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারে। যদিও এটি সরাসরি পর্তুগালের নাগরিকত্ব না, তবে পর্তুগালের নাগরিকত্বের সমমান। কারণ পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে হলে আপনাকে আরও কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। আপনার বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের উপরে হতে হবে। ৩ বছরের মধ্যে কোন ধরনের মামলা ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন না। এবং অবশ্যই পর্তুগিজ ভাষা জানতে হবে।

২) গোল্ডেন ভিসা

পর্তুগালে ইনভেস্টমেন্ট করে যে কেউ পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে পারে। বিভিন্ন ভাবে ইনভেস্টমেন্ট করা যেতে পারে। যেমন ব্যবসা, কৃষি ক্ষেতে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে একটি প্রপার্টি ক্রয় করা। তবে শর্ত হচ্ছে প্রপার্টি অবশ্যই ৫০০,০০০ ইউরো অথবা তার চেয়ে বেশি হতে হবে এবং সেই প্রোপার্টি অবশ্যই ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে। তবে সেকেন্ড ক্যাটাগরি প্রোপার্টির ক্ষেত্রে এবং কম জনসংখ্যা বহুল এলাকায় ২৮০,০০০ থেকে ৪০০,০০০ ইউরো হতে পারে। গোল্ডেন ভিসা ক্ষেত্রে ৫ বছর পর পর্তুগালে পার্মানেন্টের জন্য আবেদন করতে পারবে এবং ৬ বছর পর পরতুগালের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবে ।

৩) বিবাহ করে

যদি কেউ পর্তুগালের সিটিজেনকে বিয়ে করে তাহলেও ৩ বছর পরে পর্তুগালের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে সেই ৩ বছর যে পর্তুগালের  বসবাস করতে হবে এমন না ।

৪) দত্তকগ্রহণ

যদি পর্তুগালের মা/বাবা কাউকে দত্তকগ্রহণ করে তাহলে সে পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে পারে । যাকে দত্তকগ্রহণ করবে অবশ্যই থাকে ১৮ বছরের কম বয়স হতে হবে ।

৫) পারিবারিক সূত্রে

মা-বাবা যে কোনো একজনের বৈধ অভিবাসন স্বীকৃতি থাকলেই জন্ম নেয়া সন্তান পর্তুগিজ নাগরিকত্ব পাবেন। যদি আপনার দাদ/দাদী পর্তুগিজ হন এবং তাদের সন্তান মানে আপনার বাবা/মা পর্তুগালের নাগরিক না হোন তার পরও আপনি পর্তুগালের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ সময়: রাত ১২:৫২ | শুক্রবার, ১৬ আগস্ট ২০১৯

যোগাযোগ২৪.কম |

Development by: webnewsdesign.com