শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২০
Home others ভিডিও সহযোগী রেফারির আদ্যোপান্ত

ভিডিও সহযোগী রেফারির আদ্যোপান্ত

- Advertisement -

বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গেছে তা প্রায় কদিন হয়ে গেলো। সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে মেসি রোনালডো আর রাশিয়ার দিকে। অন্য দিকে ফিফা ঘটিয়ে ফেলেছে প্রযুক্তির বিপ্লব। অনেক নয়া নয়া প্রযুক্তির বিস্ময় যুক্ত হয়েছে এবারের বিশ্বকাপে। তা যেমন খেলাকে করছে অনেক ত্রুটি মুক্ত তেমন কপাল পোড়াচ্ছে অনেক সমর্থক এবং দলের। যে বিষয় টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা হচ্ছে তা হলো ভি এ আর (VAR) । আজ থাকছে ভি এ আর নিয়ে বিস্তারিত।

(Video Assistant Referee) ভিডিও সহযোগী রেফারি বা ভি এ আর। এবারের বিশ্বকাপের আলোচিত সমলোচিত প্রযুক্তির মাঝে একটি। বিষয় টা আসলে কী? আপনাদের মাঝে যারা ক্রিকেট খেলা দেখেন সেখানে একটা প্রযুক্তি ব্যাবহার হয় যার নাম থার্ড আম্পায়ার বা টিভি আম্পায়ার। যিনি কোন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত টিভিতে রিপ্লে দেখে ঠিক না ভুল তা বিচার করে লাল বা সবুজ আলো জ্বালিয়ে দেন। লাল আলো মানে আউট আর সবুজ মানে নট আউট। এখন আধুনিক এল ই ডি ডিসপ্লের বদৌলতে অনেক সুন্দর এনিমেশনেও দেখা যায় এই প্রযুক্তির ব্যাবহার। অনেকটা এই প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করেই এসেছে এই ভি এ আর।

আগেকার দিনে বা কদিন আগেও ফুটবলের খেলা পরিচালনা করতেন মূলত চার জন মানুষ। মূল রেফারি, দুইজন সহকারী রেফারি আর একজন ম্যাচ অফিশিয়াল। আর এখন যুক্ত হয়েছে ভি এ আর। ভি এ আর মূলত তিন সদস্যের একটি দল যাদের মূল কাজ হচ্ছে মূল রেফারিকে তার সিদ্ধান্ত আরো সঠিক বা পোক্ত করতে সাহায্য করা। এই তিন সদস্যের দলে থাকবেন প্রধান ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (যিনি অবশ্যই হবেন একজন বর্তমান কিংবা সাবেক ফিফা রেফারি), একজন সহকারী ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি এবং একজন রিপ্লে অপারেটর। মাঠের বিভিন্ন স্থানে লাগানো ক্যামেরার ভিডিও থেকে তারা নিবিড় পর্যবেক্ষন করবেন খেলার পুরো পরিস্থিতি।

ভি এ আর মূলত ব্যাবহৃত হবে চার ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য। প্রথমত বল গোল লাইন ক্রস করেছে কি না বা আদতেই এখানে কোন গোল হয়েছে কি না তা জানার জন্য। দ্বিতীয়ত পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিতে। তৃতীয়ত লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্ত নিতে এবং চতুর্থত ভুল বা নির্দোষ খেলোয়ার কে কার্ড দেখিয়ে দিলে। ভি এ আর রেফারি নিজেও ব্যাবহার করতে পারেন কিংবা ভি এ আর প্যানেল কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে রেফারির দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাইলে নিজেরাও মূল রেফারির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ভি এ আর এর প্রথম ব্যাবহার দেখা যায় ২০১৬ এর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে। আন্তর্জাতিক ভাবে এর ব্যাবহার প্রথম শুরু হয় ২০১৭ এর ইংল্যান্ড বনাম জার্মানির এক প্রীতি ম্যাচে। ইতোমধ্যে অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপে এবং কনফেডারেশন কাপে এই প্রযুক্তির সুফল পাওয়া গেছে। এই প্রযুক্তি নিয়ে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ফুটবলকে আরও স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করবে এই প্রযুক্তি। যার ফলে বিশ্ব ফুটবলে নতুন দিক উন্মোচিত হবে।’

 

রিফাত হাসান

প্রকৌশলী

www.refathasan.com

https://www.facebook.com/refat.che.hasan

https://twitter.com/refat_che_hasan

Skype: refat.aiub_1

সর্বশেষ

১০০ দিনের জন্য সবাইকে মাস্ক পড়তে বলবেন বাইডেন

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষায় ১০০ দিনের জন্য সবাইকে মাস্ক পড়তে বলবেন নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ট্রাম্পের কাছ থেকে ক্ষমতা বুঝে পাওয়ার পরই...

দ্বিতীয় দফায় ইতালিতে প্রানহানির নতুন রেকর্ড

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা আঘাতে লণ্ডভণ্ড ইতালি। নতুন করে বিধি নিষেধ আরোপের দিনে বৃহস্পতিবার মৃত্যুতে রেকর্ড ছুঁয়েছে দেশটি। এদিন সেখানে প্রায় হাজার সংখ্যক ভুক্তভোগী প্রাণ...

বাস-ট্রাক সংঘর্ষে টাঙ্গাইলে নিহত ৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রাকের ধাক্কায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের পরিচয়...

The Correct Way To Write A Research Paper

What's a research paper? It is among the most essential details of the academic program. Even when you essay writing service are already a...