শনিবার, ডিসেম্বর ৫, ২০২০
Home আন্তর্জাতিক মিয়ানমারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প নাৎসি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের মতো: জাতিসংঘের তদন্তকারী

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প নাৎসি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের মতো: জাতিসংঘের তদন্তকারী

- Advertisement -

যোগাযোগ ডেস্কঃ

মিয়ানমারের রাখাইনে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতিকে নাৎসি বাহিনীর দখলকৃত ইউরোপের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ তদন্তে গঠিত জাতিসংঘ তদন্ত দলের সদস্য ক্রিস্টোফার সিদোতির এই তুলনা করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভাইস নিউজ জানিয়েছে, এই তুলনার মাধ্যমে বোঝা যায় মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বসতিগুলো পরিস্থিতি কতটা কঠিন।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৭ লাখেরও বেশি মানুষ। জাতিসংঘের হিসাবে ৪ লাখেরও বেশি মানুষ এখনও সেখানে থেকে গেছে। দ্য গার্ডিয়ানের হিসাব অনুযায়ী, রাখাইনে থাকা অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। ২০১২ সালে রাখাইনে সহিংসতা শুরুর পর বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের জন্য স্থাপন করা হয় আইডিপি ক্যাম্প। তখন থেকেই এই ক্যাম্পে সহায়তা দিয়ে আসছে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গা ও কামান জনগোষ্ঠীর প্রায় এক লাখ ২৮ হাজার সদস্য এসব ক্যাম্পে বসবাস করে। তবে তাদের চলাফেরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে রেখেছে মিয়ানমার সরকার।

জাতিসংঘ তদন্ত দলের সদস্য ক্রিস্টোফার সিদোতি বলেন, ‘রাখাইনের মধ্যাঞ্চলে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত এক লাখ ২৮ হাজার মানুষের বসতিগুলো যেন কনসেনট্রেশন ক্যাম্প- এগুলোকে ওই নামেই ডাকতে দিন’। এসব বসতিগুলোর পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এই শহুরে বস্তিগুলো নাৎসিদের দখলে থাকা ইউরোপে বসবাস করা ইহুদিদের মতো।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী সময়ে নিজেদের দখলকৃত এলাকায় বসবাসকারী ইহুদিদের জন্য ক্যাম্প স্থাপন করে জার্মান একনায়ক অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি পার্টি। কনসেনট্রেশন ক্যাম্প নামে পরিচিত এসব বসতিগুলোতে ব্যাপক নিপীড়ন চালানোর অভিযোগ রয়েছে নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে।

এ বছরের শুরুতে মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা শুরুর পর জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে জানায় সেখানকার বেসামরিক নাগরিকেরা নতুন যুদ্ধাপরাধের শিকার হতে পারে। শুক্রবার জাতিসংঘ কর্মকর্তা সিদোতি বলেন, গত কয়েক বছরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যার প্রবণতা বেড়েছে। তিনি জানান, ২০১২ সালের আগে রাখাইনে ২০ থেকে ৩০ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করলেও বর্তমানে সেখানে বসবাসকারীদের সংখ্যা মাত্র চার থেকে পাঁচ লাখ। সিদোতি বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাদের লক্ষ্য অর্জন করেছে- রাখাইনের গঠন বদলে গেছে। কিন্তু সংকট শেষ হয়ে যায়নি।

সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

সর্বশেষ

They are motivated to make and edit different kinds of publishing for various readers in various professions.

The Little-Known Secrets to Education Day The episode will cover a overview of esophageal cancer together with therapies for colorectal cancer, nutrition advice, and...

১০০ দিনের জন্য সবাইকে মাস্ক পড়তে বলবেন বাইডেন

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষায় ১০০ দিনের জন্য সবাইকে মাস্ক পড়তে বলবেন নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ট্রাম্পের কাছ থেকে ক্ষমতা বুঝে পাওয়ার পরই...

দ্বিতীয় দফায় ইতালিতে প্রানহানির নতুন রেকর্ড

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা আঘাতে লণ্ডভণ্ড ইতালি। নতুন করে বিধি নিষেধ আরোপের দিনে বৃহস্পতিবার মৃত্যুতে রেকর্ড ছুঁয়েছে দেশটি। এদিন সেখানে প্রায় হাজার সংখ্যক ভুক্তভোগী প্রাণ...

বাস-ট্রাক সংঘর্ষে টাঙ্গাইলে নিহত ৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রাকের ধাক্কায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের পরিচয়...