বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০
Home আন্তর্জাতিক শপথ নিয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বরিস জনসন

শপথ নিয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বরিস জনসন

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন। বুধবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। রানী এলিজাবেথও তার পদ নিশ্চিত করেন। এর আগের দিন কনজারভেটিভ পার্টির নেতা নির্বাচিত হন জনসন।

এর মধ্য দিয়ে থেরেসা মে অধ্যায় শেষে বরিস জনসনের সরকারের যুগে প্রবেশ করলো ব্রিটেন। ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে এমপিদের সাথে বিরোধীতার জের ধরে পদত্যাগ করেন থেরেসা মে। তার জায়গায় দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হয়ে আসেন লন্ডনের সাবেক মেয়র ও থেরেসা সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন।

মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। দলের সদস্যরা চারদফা ভোটের পর মঙ্গলবার তাকে নতুন নেতা নির্বাচিত করেছেন। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সেই নিয়ম অনুযায়ী বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন বরিস জনসন।

রাজপ্রাসাদ থেকে বেড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যায়ল ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংক্ষিপ্ত ভাষন দেন নতুন এই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতা, মুক্তমত আইনের শাসন এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। এ জন্যই আগামী ৩১ অক্টোবর আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাব।

আলেকজান্ডার বরিস দ্য ফেফেল জনসনের জন্ম নিউ ইয়র্কে। ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব রেখে দিয়েছিলেন। ব্রিটেনের অভিজাত সমাজের আদর্শ প্রতিনিধি তিনি। বাবা ছিলেন কূটনীতিক। কনজারভেটিভ পার্টির হয়ে ইউরোপীয় সংসদের সদস্যও হয়েছিলেন। অত্যন্ত অভিজাত স্কুল ইটনে পড়ে গ্রাজুয়েশন করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরুনোর পর পেশা হিসাবে সাংবাদিকতাকে বেছে নেন। দি টাইমস পত্রিকায় কাল্পনিক একটি উদ্ধৃতি ব্যবহারের জন্য চাকরি খুইয়েছিলেন। তারপর আরো দুই একটি পত্রিকায় কাজ করার পর যোগ দেন বিখ্যাত দ্য টেলিগ্রাফে। ব্রাসেলসে ঐ পত্রিকার প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করতেন।

২০০১ সাল থেকে তৎকালীন বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির টিকেটে এমপি নির্বাচিত হলেও তিনি কখনও ছায়া মন্ত্রিসভায় ঢোকেননি। দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা তাকে তেমন পছন্দ করতেন না। ২০০৮ সালে সংসদের রাজনীতি ছেড়ে তিনি লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হন। এবং তখনই ব্রিটেনের রাজনীতিতে ভিন্ন এক মাত্রা পেয়ে যান বরিস জনসন।

সূত্রঃ নয়াদিগন্ত/বাংলা ট্রিবিউন

সর্বশেষ

মেসির পারফরম্যান্সে উন্নতির জায়গা দেখছেন বার্সা কোচ

কাতালান জায়ান্ট ক্লাব বার্সেলোনায় টালমাটাল পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। মৌসুম শুরু হয়ে গেলেও নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। তিনি এখন দলের...

রাসুলুল্লাহ (সা.) এর ৫ বৈশিষ্ট্য

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমাকে পাঁচটি বিষয় দান করা হয়েছে, যা আমার আগে কোনো নবীকে দান করা হয়নি। তা হলো—এক....

তালতলীতে ইউপি-উপ নির্বাচনে জাল ভোট দিতে এসে আটক-৪

বরগুনার তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে জাল ভোট দিতে এসে চার জনকে আটক করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২০অক্টোবার) দুপুরের দিকে হেলেঞ্চাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়...

কণ্ঠস্বরের ভিত্তিতে করোনা পরীক্ষা হতে চলেছে

এই প্রথমবার কণ্ঠস্বরের ভিত্তিতে করোনা পরীক্ষা হতে চলেছে। ভারতের বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের পুরসভা বা বিএমসি -এর উদ্যোগে প্রায় এক হাজার মানুষের উপর পরীক্ষামূলকভাবে এই...