ব্রেকিং

x

লিখেছেন- আদিব হোসেন, যোগাযোগ রিপোর্টার, মাধবদী

সুশান্তের চলে যাওয়াটা আসলে খুবই দুঃখজনক ছিলো

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০ | ৫:০৬ অপরাহ্ণ


সুশান্তের চলে যাওয়াটা আসলে খুবই দুঃখজনক ছিলো
সুশান্তের চলে যাওয়াটা আসলে খুবই দুঃখজনক ছিলো।

সুশান্তের চলে যাওয়াটা আসলে খুবই দুঃখজনক ছিলো। আর দিল_বেচারা ছবিটা এখন হয়তো তার শেষ স্মৃতি বহন করছে। তবে আবেগ দিয়ে না দেখে একজন নিরপেক্ষ দর্শক হিসেবে আমি আমার মতামত দিচ্ছি।
দিল বেচারা ছবিটি আমেরিকান লেখক John Green এর একটি উপন্যাস The Fault in Our Stars অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে।

২০১২ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি অবলম্বনে ২০১৪ সালে The Fault in Our Stars নামেই একটি চলচিত্র নির্মিত হয়। দিল বেচারার গল্পটাও ঐ চলচিত্র থেকে নিয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হয়েছে।

দিল বেচারা গল্পের মূল চরিত্র সুশান্ত ও শাঞ্জানা অর্থাৎ ছবির Manny ও Kizie Basu কে নিয়ে। স্পয়লার যেন না হয় তাই কিজ্বি ও ম্যাণির দুটি আলাদা আলাদা সমস্যা নিয়ে লড়াই করা, তাদের পরিচয়, বন্ধুত্ব, প্রেম ইত্যাদির বাইরে কিছু বললাম না।

ক্বিজির হতাশাময় জীবনে একটি উপহার হয়ে আসে ম্যাণি। তার জীবনকে সুন্দর ও খুশির করে তোলার আপ্রান চেষ্টা করে ম্যাণি। এরপরের গল্প হয়তো ছবিটা দেখলে বুঝবেন।  তবে ছবির স্ক্রিনপ্লে নিয়ে কথা বলতে গেলে বলতে হয়, স্ক্রিনপ্লে কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

প্রথম অংশ রোমান্টিক কমেডি এবং পরবর্তি অংশ ইমোশোনাল ড্রামা। নিরপেক্ষ ভাবে বিচার করতে গেলে The Fault in Our Stars এর মত রোমান্টিক কমেডি টা ফুটে ওঠেনি দিল বেচারা তে। পরিচালক Mukesh Chhabraএর প্রথম ছবি ছিলো এটি, তাছাড়াও অন্যান্য সহযোগি পরিচালক Vipul Arora, Anubhav Chopr, Amit Mishra দের কাঁচা হাত এই টাচি জিনিসগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারে নি। তবে দৃশ্য গুলোকে প্রানবন্ত করে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা সুশান্তের অভিনয়ে ফুটে ওঠেছে। আমার মনে হয় চিত্রনাট্যটা নিয়ে আরো বিস্তারিত টেবিল ওয়ার্ক হয়তো এই প্রথম অংশটিকে আরো ভালো করে তুলতে পারতো।



২য় ধাপের ইমোশনাল ড্রামা অংশে আমার সুশান্তের অভিনয় খুব ভালো লেগেছে। পৃথিবীর যে কেউ এটা মানবে যে M.S. Dhoni The Untold Story তে সুশান্তের অভিনয় ১০ এ ১০ ছিলো। ধনি কে নিজের মধ্যে ফুটিয়ে তুলতে বিন্দু পরিমান ছাড় দেননি তিনি। তবে এর পরেই আমার তার দিল বেচারার কাজ ভালো লেগেছে।

কারন দুর্বল চিত্রনাট্য টা কেও খুব ভালো এবং সুন্দর করে তুলে ধরেছে। ১০১ মিনিটের এই ইমোশনাল ড্রামা ধরনের চলচিত্রে সুশান্ত খুব চেষ্টা করেছে তার সাবলিল অভিনয় দিয়ে মনোযোগ ধরে রাখার। তবে ক্বিজির মা ও বাবার চরিত্রে স্বাশ্বত ও সোস্তিকার অভিনয়ই আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে। আবার প্রথম ছবি হিসেবে সাঞ্জানার কাজও ফেলে দেয়ার মত না।

এবার যদি “The Fault in Our Stars” এর সাথে তুলনা করা যায় তবে বলবো এতটাও সুন্দর ছিলো না। এমন না যে সুশান্ত বা সাঞ্জানার অভিনয় আপ টু দ্যা মার্ক ছিলো না। তবে স্ক্রিনপ্লে আমার কাছে কিছুটা বোরিং আর সিলি লেগেছে। গল্পটা ঠিক রেখে ভারতিয় প্রেক্ষাপটে স্ক্রিনপ্লেটা আলাদাও হতে পারতো।

তবে অফিসিয়াল রিমেক আর অ্যাডাপ্টেশনের মধ্যের পার্থক্যটা আমার মাথায় এখনো ধরে নি। আমি কোন মুভি ক্রিটিক নই। তবে ব্যক্তিগত মতামত দিলাম। হয়তো সুশান্তের চলে যাওয়ার কারনে ছবির কিছু ভুল চোখে পরে নি। আবার নিরপেক্ষ থাকার অতি চেষ্টার কারনে ছবির ভালো কিছুদিকও চোখে পরে নি এমনও হতে পারে।

যদি কেউ “The Fault in Our Stars” মুভিটি না দেখে থাকেন তবে দিল বেচারা ছবিটি নিশ্চই আপনার মন ছুয়ে যাবে। আর যদি সেটা দেখে থাকেন তবে আরো ভালো কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকার কথা
ধন্যবাদ। সূত্রঃ ফেসবুক। সম্পাদনা র/ভূঁ। ম ২৮০৭/১৯

বাংলাদেশ সময়: ৫:০৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

যোগাযোগ২৪.কম |

আসামির জবানবন্দিতে আবরার হত্যার বীভৎস বর্ণনা

Development by: Jogajog Media Inc.

বাংলা বাংলা English English