ঈদে নিজের প্রিয় পদ রাঁধলেন দীঘি

ঈদ মানেই দীঘির কাছে এখনো উৎসবমুখর, রঙিন দিন। বড় হয়েছেন এটা মানতেই চান না এই অভিনেত্রী। তিনি এখনো পরিবারের সবার কাছে ছোট হয়েই থাকতে চান। তবে ছোট–বড় যা–ই বলি, এই দীঘি এখন রান্নায়ও শিখে গেছেন। জানালেন ঈদের দিন সকাল থেকে তেহারি রান্না করেছেন, মিষ্টি বানিয়েছেন। এটা তাঁর সারপ্রাইজ আইটেম। 

দীঘি বলেন, ‘আমার পছন্দের খাবার তেহারি। ঈদ এলেই আমার এই রান্না করার চেষ্টা। এবারও করেছি। আমার কাছে নিজের রান্না দারুণ পছন্দের। বাবা (অভিনেতা সুব্রত) এবং বাড়ির অন্যরাও অনেকেই আমার রান্না পছন্দ করেন। বলতে গেলে আমি রান্না দিয়েই দিনটি শুরু করি। আমার ঈদ সন্ধ্যার সময় শুরু হয়।’
রান্নায় দীঘি যে দক্ষ, এটা মোটেও ভাববেন না। তিনি শুধু নিজের পছন্দের আঙুলে গোনা যায় এমন কয়েকটি পদ রান্না করতে শিখেছেন। তেহারি কীভাবে রান্না করতে শিখলেন?

দীঘি বলেন, ‘প্রথম ইউটিউবে দেখেছি। তারপর নিজে বুদ্ধি খাটিয়ে রান্না করেছি। এটা আমার বিশেষ আইটেম। নিজের তৈরি করা তেহারি আমার কাছে সবচেয়ে মজাদার। এই জন্য রান্না করতেও ভালো লাগে।’

দীঘির রান্নার পর্ব শেষ। জানালেন ডেজার্ট হিসেবে মিষ্টি বানিয়েছেন। এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিছুটা আড্ডার। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর কাছের কিছু বন্ধু আসবে। তিনি বলেন, ‘দিনটি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে কাটাতেই ভালো লাগে। মাঝে মাঝে আম্মাকে ছাড়া মন খারাপ হয়। আম্মা বেঁচে থাকলে সবাই একসঙ্গে ঘুরে আসতাম। এখন আমাকেই অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিছুটা দুষ্টুমি করেই দিনটা আনন্দে কাটানোর চেষ্টা করি।’ 

ঈদে এখনো আগের মতো আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে সালামি পান। এবার কত সালামি পেয়েছেন শুনতে চাইলে হেসে দীঘি জানান, এখনো নাকি গুনে দেখেননি। তিনি বলেন, ‘শৈশবে অনেক সালামি পেতাম। এখনো পাই কিন্তু আমার চেয়ে যারা বয়সে একটু ছোট, তাদের আবার সালামি দিতে হয়। ছোটরা আমাকে অনেক ভালোবাসে। সালামি নিতে এবং দিতে—দুটোই ভালো লাগে।’ 

দীঘি বলেন, ‘এবার ঈদের কোনো পরিকল্পনা নেই। অন্যবার বন্ধুদের নিয়ে দল বেঁধে ঘুরতে যেতাম। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি এখন আগের চেয়ে খারাপ। গতকালও অনেক মানুষ মারা গেছেন। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে, এটা অনেকেই বুঝতে চাইছেন না। সবাইকে অনুরোধ করব, আপনারা সতর্কতার সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটান।’  


Related Articles