নিমতলী ট্র্যাজেডি: ১২ বছরেও বন্ধ হয়নি রাসায়নিক ব্যবসা

নিমতলী ট্র্যাজেডির ১২ বছর আজ। তবে এখনো ঝুঁকিপূর্ণ পুরান ঢাকা। আগের মতোই আছে রাসায়নিকের গুদাম। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এসব দ্রুত সরানো না হলে আবারো ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০২৩ সালের মধ্যে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কাজ শেষ হলে সরে যাবে সব গুদাম।

২০১০ সালের ৩ জুন, পুরান ঢাকার নিমতলীর সেই ভয়াবহ আগুনে ৭ বছরের ছেলে বৈশাখকে হারান মামুন মিয়া। সেই বেদনার সঙ্গে আছে এক তীব্র ক্ষোভও।

সেই আগুনে দুই ছেলে, মা-সহ পরিবারের ১১ জনকে হারিয়েছেন গোলজার এলাহি। তাদের কথা মনে হলে আজও ভিজে ওঠে চোখের কোণ।

২০১০ সালে নিমতলীর এই জায়গায় আগুনের ঘটনায় ১৭টি সুপারিশ দেয় তদন্ত কমিটি। কোন এক অজানা কারণে এখনো বাস্তবায়ন হয়নি একটিও। এমনকি এই এলাকায় এখন রয়ে গেছে কেমিক্যালের গুদাম।

ঘটনাস্থল থেকে ১০০ গজের মধ্যেই এই প্লাস্টিক কারখানা। এমন আরো অনেক কারখানা, রাসায়নিকের গুদাম আছে পুরান ঢাকায়।

সেদিনের সেই আগুনে প্রাণ হারান ১২৪ জন। তবে এর ১২ বছরে রাসায়নিকের গুদাম না সরায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, দ্রুত এসব না সরিয়ে নিলে আবারো হতে পারে নিমতলী বা চুড়িহাট্টার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

নিমতলী ট্র্যাজেডির পর কেরানীগঞ্জে ৫০ একর জায়গায় কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক করার সিদ্ধান্ত হয়। চুড়িহাট্টার পর তা সরিয়ে নেয়া সিদ্ধান্ত হয় মুন্সিগঞ্জে। তবে ১৩০৭ কোটি টাকার এই প্রকল্প শেষ হয়নি আজও। সূত্রঃ অনলাইন। সম্পাদনা ম\হ। বৈ ০৬০৩\০৬ 


Related Articles