প্রেয়সীর দেখা

কতশত বছর ধরে, অপেক্ষার প্রহর পরে, দেখেছিলাম আমি সেই তারে,

নয়ন মেলিয়া, ভুবন ঘুরিয়া খুজিতেছি আমি যারে,

এই তো সেদিন দেখিলাম তারে, শরৎের বিকেলে শীতলক্ষ্যা নদীর ধারে।


চোখের কোণে কাজলের প্রলেপ ছিল যে সেদিন তার,

যেই মায়াবী চাহনি দৃষ্টির অগোচর হয়নিতো প্রেমিক আমার,

তার ঠোঁটের কোণে থাকা মিষ্টি হাসি দেখে,

শীতলক্ষ্যার স্রোত যেন আনন্দে উজানে যায় ভেসে,

শীতলক্ষ্যার মৃদু  দক্ষিণা  বাতাসে,

কি যেন এক শিহরণ জাগিয়ে গিয়েছিল তার খোলা কেশে,

তাহার মিষ্টি মধুর কন্ঠস্বরের কথার তালে তালে,

ঠিক যেন পাল তোলা নৌকা গুলো চলে হেলে দুলে,

আকাশী রংয়ের শাড়ীর সাথে  ছিল কানে রক্তজবা ফুল,

নাকের ডগায় শোভা পেয়েছিল ছোট এক নাকফুল,

কাঁচের নীল চুরি দিয়ে ভরাছিল কোমল হাত দুটি তার,

চোখের পলক ফেললেই নেমে আসে আমাবস্যা অন্ধকার।


জানি না আমি স্বপ্নে নাকি বাস্তবে দেখা পাইলাম তার,

এতশত বছর ধরে অপেক্ষা করেছি যারে একবার দেখিবার।

গাজী মো: শফিকুল ইসলাম 


Related Articles